বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে এলাকায় এবং সীমান্তে কোন মতেই থামানো যাচ্ছে না সীমান্তের গরু চোরাচালান কারবারিদের। গরু চোরাকারবারের আড়ালে মিয়ানমার থেকে প্রতিনিয়ত ঢুকছে অস্ত্র, ইয়াবা, সিগারেট, ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। তাছাড়াও এদিক থেকে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী, ভোজ্য তেল, ডিজেল, পেট্রোল, নির্মাণসামগ্রী এবং সার-কীটনাশক।
এদিকে উপজেলার সোনাইছড়ি, ঘুমধুম ইউনিয়নসহ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার শত শত উপজাতি যুবক আরাকান আর্মিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি এলাকাবাসীকে চরমভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। তাদেরর উদ্দেশ্য হচ্ছে সীমান্তে তাদেরকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদক, ইয়াবা, সিগারেট, ফেন্সিডিল, স্বর্ণ ও গরু চোরাচালান কারবার করানো।
মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুকীটনাশকচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে আরকান আর্মির চোরাকারবারিদের ব্যবসায়িক দ্বন্দে গোলাগুলিতে হতাহতের ঘটনা ঘটছে প্রায়শই।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত এলাকা থেকে আরাকান আর্মিতে যোগ দেওয়া যুবকেরা সব ধরনের তথ্য পাচার করছে এবং ওপার থেকে মাদকের সরবরাহ পুরোটাই তারা নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা এপারে সাধারণ মানুষ হয়ে ঢুকে আবার ওপারে গেলে আরাকান আর্মির পোশাক পরিধান করে।
এদিকে চোরাচালানকে কেন্দ্র করে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হচ্ছে সীমান্ত এলাকার অসংখ্য মানুষ।
জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি চেরারকুলের যুবক মো:শরিফ উদ্দিন এবং রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দোছড়ি গ্রামের মোহাম্মদ সাইমন ( ২৮) নামে ২ যুবক বার্মিজ গরুসহ অন্যান্য চোরাই পণ্যের বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় বিদ্রোহী এএ তাদেরকে আটকে রাখে। তাদের ফেরৎ চেয়ে মঙ্গলবার ( ২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪ টায় সীমান্তের চেরারকুলে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী ও তাদের স্বজনরা।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, বিগত ১ বছরে সীমান্তে চোরাচালান করতে গিয়ে প্রায় শতাধিক ব্যক্তির হাত-পা বিচ্ছিন্নসহ আহতের ঘটনা ঘটেছে।
সীমান্তের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি সর্বাত্মকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন
কিন্তু সীমান্তবর্তী বৈধ বাজারে অবৈধ গরু রশিদ করিয়ে কিংবা চুক্তি করে পথে ঘাটে রশিদ বানিয়ে চেক পোস্ট পারাপার সহজ হওয়ায় এ চেষ্টা চোরাকারবার বন্ধে প্রত্যাশিতভাবে সফলতা পাচ্ছে না।
বিশেষ সূত্রে জানা যায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের অবস্থিত ৪ নং ওয়ার্ড চাকঢালার গরুর বাজারের ইজারাদার ও চোরাকারবারের মাফিয়া,৫ আগস্টের ২০২৪ ইং আওয়ামীলীগ পর এখন বিএনপির পরিচয় চলে মোঃ আবু সৈয়দ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে লিয়াজু করে প্রতিনিয়ত মায়ানমারের অবৈধ গরু নিয়ে আসছে বাজারে।
সচেতনমহল জোর দাবি জানাচ্ছে অবৈধ চোরাচালান যদি বন্ধ না হয়
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হতে পারে।